মৌখিক পরীক্ষার নির্দেশনা



মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্দেশনা >>> দুটি ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে চারটি বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে


>>>১ম বোর্ডে অংশ নেবার পর দ্বিতীয় বিষয়বোর্ডে অংশ নিতে হবে


>>> প্রস্তুতি হিসাবে ১ম টার্মের সিলেবাস অনুসরণ করতে হবে( বিষয়গুলোর নাম,বিষয় ইন্সট্রাক্টরের নাম, পদবী অবশ্যই সঠিকভাবে জেনে আসতে হবে)


>>> শিক্ষকমানগুলো সম্পর্কে অবশ্যই ভালোভাবে ধারণা থাকতে হবে।



>>> সঠিক সময়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং


শতভাগ ইউনিফর্ম নিশ্চিত করতে হবে >>>ইনকোর্সের প্রশ্নগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে (বি:দ্র: মৌখিক পরীক্ষাও পরীক্ষা তাই পরীক্ষার সকল নিয়ম এখানে অনুসরণ করা হবে)


শিক্ষক মান দেখে নিন, 


শিক্ষকমান কি?


*শিক্ষকমান হলো শিক্ষকদের পেশাগত পারদর্শিতা মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত কিছু আদর্শ (Standard) এর সমন্বয়, যার মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে শিক্ষকদের পারদর্শিতার অবস্থা যাচাই করা হয়।


* শিক্ষক তার আত্মমূল্যায়নের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাবেন।


* এজন্য শিক্ষক নিজ থেকে যেমন সচেষ্ট থাকবেন, তেমনি শিক্ষকের সেই চেষ্টা কতটুকু ফলপ্ৰসূ তা যাচাইয়ের জন্য শিক্ষকমান মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।


* সাধারণত শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তত্ত্বাবধান, পরিবীক্ষণ বা মূল্যায়ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে একধরণের মূল্যায়নের কাজ করে থাকে।


*কখনো কখনো বিদ্যালয় শিক্ষকদের পারদর্শিতা মূল্যায়ন করে। মূলত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকের অর্জন ব্যবধান ও দুর্বলতা ধরা পড়ে এবং শিক্ষক তা অর্জনে সচেষ্ট হন ।


- শিক্ষক যোগ্যতার সাথে শিক্ষকমানের নিবিঢ় সম্পর্ক রয়েছে। ডিপিএড শিক্ষাক্রমে ২৩ টি শিক্ষকমান সম্পর্কে বলা হয়েছে।


* এই শিক্ষকমানগুলো প্রধান তিনটি ক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে। যেমন- পেশাগত জ্ঞান ও উপলব্ধি, পেশাগত অনুশীলন পেশাগত মূল্যবোধ ও সম্পর্কস্থাপন ।


* প্রত্যেকটি প্রধান ক্ষেত্রকে কয়েকটি শিখনক্ষেত্রে ভাগ করে তার আলোকে শিক্ষকমানগুলোকে বিন্যস্ত করা হয়েছে।


* ডিপিএড প্রোগ্রামে ১ম-৪র্থ টার্মের সময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষকমান (Teacher Standard) মূল্যায়ন করা হয় ।