লিংক এ ক্লিক করে দেখুন:
পানির অবচয় রোধে করনীয়
ভূমিকা পানি বা তাল (অন্যান্য নাম: বারি, সলিল) হলো একটি অজৈব, স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন এবং প্রায় বর্ণহীন এক রাসায়নিক পদার্থ, যা পৃথিবীর বারিমণ্ডলের (hydrosphere) 3 যে কোন জীব-কোষ বা উদ্ভিদ কোষের একটি প্রধান উপাদান। যদিও পানি বা জল কোন প্রাণী বা উদ্ভিদকে কোন রকমের শক্তির বা জৈব পরিপোষকের যোগান দেয় না, তবু এখনও পর্যন্ত আমরা যা জানি, তাতে সমস্ত ধরনের প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য পানি বা জল অপরিহার্য। এই জন্য মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বহির্বিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার আগে প্রথমে সেখানে জলের বা পানির অস্তিত্ব খোঁজেন। কারণ, এখনও মোটামুটিভাবে মনে করা হয় যে, পানি বা জন যদি না থাকে, তাহলে সেখানে প্রাণ থাকতে পারে না।
পানি কি জল বা পানির রাসায়নিক সংকেত হল II OI অর্থাৎ জন বা সানির একেকটি অণু একটি অক্সিজেন পরমাণু এবং দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমযোজী বন্ধনে গঠিত। এই H CO যৌগটির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল অপেক্ষাকৃত অর্থ তাপমাত্রার পরিসরের মধ্যে এর তিনটি বিভিন্ন অবস্থা কঠিন, তরল ও বায়বীয় পরিলক্ষিত হয়। এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে H. তরল অবস্থায় থাকে—এই তরল HO-কেই আমরা পানি বা জন বলি। সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জল বা পানি জনে কঠিন বরফে পরিণত হয় এবং ১০০% সেলসিয়াসে জল বায়বীয় অবস্থা জাতীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এই জন্য ০° সেলসিয়াসকে বলা হয় জল বা দানির গলনাঙ্ক (freezing point) এবং ১০০° সেলসিয়াসকে বলা হয় জল বা পানির স্ফুটনাঙ্ক (boiling point)। গলনাল্ড ও স্ফুটনাঙ্কের এই মান (যথাক্রমে ০ ও ১০০ সেলসিয়াস) এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পরিলক্ষিত হয়। বলা বাহুল্য, বায়ুচাপের পরিবর্তনের সংগে সমস্ত পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাস্কের মানের পরিবর্তন হয়। জলীয় বাষ্প ঊর্ধ বায়ুমণ্ডলে ঠাণ্ডা হয়ে যখন জল-কণা ও বরফ-কণায় রুপান্তরিত হয়, তখন তাকে আমরা বলি মেঘ। যখন জল কণাগুলি আকারে বৃদ্ধি পেয়ে পৃথিবীর ওপর নেমে আসে, তখন তাকে বলি বৃষ্টি (rain)। যখন বরফ-কণাগুলি আকারে বৃদ্ধি পেয়ে পৃথিবীর ওপর নেমে আসে, তখন তাকে বলি তুষার-পাত (snow-fall)। এখানে আরও বলা যেতে পারে, পৃথিবীতে তরল স্ফটিক রূপেও পানির বা জলের অস্তিত্ব দেখা যায়। রাসায়নিক যৌগের নামকরণ প্রক্রিয়া অনুসারে পানির (জলের) বিজ্ঞানসম্মত নাম হল: dihydrogen monoxide ডাইহাইড্রোজেন মনোক্সাইড)। কিন্তু এই নামটি প্রায় কোথাও ব্যবহৃত হয় না। পভূপৃষ্ঠের ৭০.৯% অংশ জুড়ে পানির বা জলের অস্তিত্ব রয়েছে। এবং পৃথিবীর প্রায় সমস্ত জীবের জীবনধারণের জন্যই পানি বা জন একটি অত্যাবশ্যক পদার্থ। পৃথিবীতে প্রাপ্ত পানির বা জন্ম ৯৬.৫% পাওয়া যায় মহাসাগরে ১.৭% ভূগর্ভে ১.৭% হিমশৈল ও তুষার হিসেবে, একটি ক্ষুদ্র অংশ অন্যান্য বড় জলাশয়ে এবং ০.০০১% বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত মেঘ, জলীয় বাষ্প হিসেবে ও বৃষ্টিপাত, তুষারপাত ইত্যাদিরূপে। পৃথিবীর পানির বা জন মাত্র ২.৫% হল বিশুদ্ধ পানি বা জন এবং বাকি ৯৮ ৮% হল ভূগর্ভস্থ পানি ও বরফ। বিশুদ্ধ পানির ০.৩%-এরও কম অংশ পাওয়া যায় নদীতে, হ্রদে ও বায়ুমণ্ডলে এবং তার চেয়েও ন্যূনতর অংশ পাওয়া যায় বিভিন্ন জীবের শরীর ও উৎপাদিত পণ্যে। পৃথিবীতে পানি প্রতিনিয়তই বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, বাম্লত্যাগ, ইত্যাদি বিশিষ্ট পানিচক্র মাধ্যমে ঘূর্ণমান। বাষ্পীভবন ও বাত্যাগের কারণেই পৃথিবীতে বৃষ্টিপাত তুষারপাত ইত্যাদি ঘটে।
মানব জাতি সহ অন্যান্য প্রাণীর জীবনধারণের জন্য সুপেয় পানি অপরিহার্য। গত কয়েক দশকে পৃথিবীর প্রায় সকল প্রান্তেই সুপেয় পানির সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু তবুও প্রায় একশ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি ও প্রায় আড়াই কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার থেকে বঞ্চিত। নিরাপদ পানির ব্যবহারের সাথে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনের সুস্পষ্ট পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। কয়েকজন পর্যবেক্ষক অনুমান করেছেন যে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যার অর্ধেকাংশেরও বেশি পানি সংক্রান্ত সঙ্কটের সম্মুখীন হবে। নভেম্বর, ২০০৯-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে কয়েকটি উন্নয়নশীল অঞ্চলে যোগানের তুলনায় পানির চাহিদা ৫০% ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কারণ দানি বহু রাসায়নিক পদার্থের দ্বাবক হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন শিল্পে শীতলীকরণ এবং পরিবহনের কাজে সহায়তা করে। মানুষের ব্যবহৃত বিশুদ্ধ পানির প্রায় ৭০% ব্যবহৃত হয় কৃষিকার্যে
রাসায়নিক ও ভৌত
একফোঁটা পানির আঘাতে পানিতে কৈশিকীয় তরঙ্গ তৈরী হয় এবং সাময়িকভাবে ফোয়ারার মত ছিটকে ওপরের দিকে উঠে যা
পানির রাসায়নিক সংকেত হল HD পানির একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটি অক্সিজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। পদার্থের তিনটি অবস্থাতেই পৃথিবীতে পানির অস্তিত্ব বিদ্যমান। গার্লিীয় বাষ্প ও মেষ হিসেবে আকাশে, সমুদ্রের পানি হিসেবে মহাসাগরে, হিমশৈল হিসেবে মেরু অঞ্চলের মহাসাগরে, হিমবাহ ও নদী হিসেবে পর্বতে এবং ভূগর্ভে পানির ง পাওয়া যায়
মনে করা হয় বৃহদাকার গ্রহগুলির অভ্যন্তরে উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় পানি আয়নিত অবস্থায় থাকে। ওই অবস্থায় পানির অণুগুলি ভেসে গিয়ে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন আয়নের একটি মাধ্যম তৈরী করে। আরো বেশি চাপে অক্সিজেন কেলাসিত হয়ে গেলেও হাইড্রোজেন আয়নগুণি মুক্তভাবে অক্সিজেন আয়নের কেলাসের সম্ভ্রার মধ্যে ভেসে বেড়ায়। এই বিশেষ অবস্থাকে পানির অতিআয়নিত অবস্থা ব
পানির মুখ্য ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মগুলি হ
2ল:লে।।য়ধর্ম

0 Comments